কক্সবাজার কলাতলী হোটেল-মোটেল জোনে রিসোর্ট মালিকের কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও বাউন্ডারি ভাঙচুর
ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত সংলগ্ন কলাতলী হোটেল-মোটেল জোনে একটি নতুন ইকো-রিসোর্টের সীমানা প্রাচীর নির্মাণের সময় ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে স্থানীয় ভূমিদস্যু ও চাঁদাবাজ সিন্ডিকেট। চাঁদা না দেওয়ায় নির্মাণাধীন সীমানা প্রাচীর ভেঙে ফেলা হয় এবং নির্মাণ শ্রমিকদের তাড়িয়ে দেওয়া হয়। কক্সবাজার সদর মডেল থানায় নিয়মিত মামলা রুজু হয়েছে।
ঘটনার টাইমলাইন ও অগ্রগতি
রিসোর্ট মালিকের কাছে ২০ লাখ টাকা দাবি
কলাতলীতে নির্মাণ কাজের সময় চাঁদা না পেয়ে সীমানা প্রাচীর ভাঙচুর।
🔴 বিচার মেলেনি: চিহ্নিত অপরাধীরা প্রভাবশালী হওয়ায় গ্রেপ্তার নেই
কক্সবাজার সদর থানায় মামলা সত্ত্বেও প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
আপনি কি এই এলাকার বাসিন্দা বা ঘটনাটি সম্পর্কে জানেন?
একটি ক্লিকের মাধ্যমে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করুন বা অজ্ঞাত কোনো তথ্য জেনে থাকলে গোপনীয়ভাবে যুক্ত করুন।
জরুরি আইনি সতর্কবার্তা:
CrimesBD কোনো বিচারিক কর্তৃপক্ষ নয় এবং অপরাধ নির্ধারণ করে না। এই তথ্য জননিরাপত্তা ও জনস্বার্থে নথিভুক্ত করা হয়েছে।
চাঁদাবাজি ও দখলবাজি প্রতিরোধে করণীয়দেখুন ▾
কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী চাঁদা দাবি করলে সরাসরি নতিস্বীকার না করে আইনি সহায়তা নিন এবং তথ্য-প্রমাণ সংরক্ষণ করুন।
- চাঁদা দাবির তারিখ, সময়, দাবিকৃত পরিমাণ ও হুমকির বিস্তারিত লিখে রাখুন।
- দোকান বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সিসিটিভি ফুটেজ সুরক্ষিত জায়গায় ব্যাকআপ রাখুন।
- নিকটস্থ থানায় দ্রুত সাধারণ ডায়েরি (GD) বা এজাহার দায়ের করুন এবং জরুরি প্রয়োজনে ৯৯৯ এ জানান।
