৯৯৯জরুরি প্রয়োজনে ৯৯৯ এ কল দিন
হেল্পলাইন →
ব্লগ তালিকায় ফিরুনসাইবার ক্রাইম ও আইনি প্রতিকার

সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি বা ভিডিও দিয়ে ব্ল্যাকমেইল, হ্যাকিং ও সাইবার অপরাধের শিকার হলে আইনি প্রতিকার ও অভিযোগের উপায়

ডিজিটাল নিরাপত্তা ও সাইবার লিগ্যাল সেল2026-09-02৮ মিনিট পড়ার সময়
## ১. ব্ল্যাকমেইলের শিকার হলে প্রথম ৩টি জরুরি সতর্কতা সোশ্যাল মিডিয়ায় (Facebook, WhatsApp, Telegram) ছবি এডিট বা ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও প্রচারের হুমকি দিয়ে অর্থ দাবি বা অনৈতিক প্রস্তাব করা হলে আতঙ্কিত হবেন না: ১. **কখনোই অর্থ পাঠাবেন না**: ব্ল্যাকমেইলারের দাবি মেনে নিলে তাদের দাবির অঙ্ক বাড়তেই থাকে। ২. **অ্যাকাউন্ট ডিলিট বা ব্লক করার আগে প্রমাণ রাখুন**: চ্যাট মুছে দিলে বা ব্লক করে দিলে আইনি প্রমাণের মূল লিঙ্ক হারিয়ে যায়। ৩. **প্রমাণাদি স্ক্রিনশট ও রেকর্ড করুন**: - মেসেজের পুরো চ্যাট স্ক্রিনশট ও প্রোফাইলের সরাসরি ওয়েব লিঙ্ক (URL)। - বিকাশ বা নগদ নম্বর (যার মাধ্যমে অর্থ দাবি করা হয়েছে)। --- ## ২. সাইবার পুলিশের বিশেষ ইউনিটে অভিযোগ দায়েরের মাধ্যম ### ১. সাইবার পুলিশ সেন্টার (CPC) - সিআইডি, বাংলাদেশ পুলিশ - **হটলাইন**: **01320000888** / **01769691522** - **ফেসবুক পেজ**: *Cyber Police Centre, CID, Bangladesh Police* - **ঠিকানা**: সিআইডি হেডকোয়ার্টার্স, মালিবাগ, ঢাকা। ### ২. পুলিশ প্লাজা পুলিশ সাইবার সাপোর্ট ফর উইমেন (PCSW) নারী ভুক্তভোগীদের সম্পূর্ণ নারী পুলিশ কর্মকর্তাদের দ্বারা আইনি ও মনস্তাত্ত্বিক সহায়তার বিশেষ সেল: - **হটলাইন**: **01320000888** - **ইমেইল**: **cybersupport.women@police.gov.bd** ### ৩. বিটিআরসি (BTRC) অভিযোগ সেল আপত্তিকর লিঙ্ক ফেসবুক থেকে দ্রুত ব্লক বা রিমুভ করাতে বিটিআরসির লিগ্যাল অ্যান্ড লাইসেন্সিং উইংয়ে যোগাযোগ করা যায়: - **বিটিআরসি হটলাইন**: **100** --- ## ৩. আইনের ধারায় অপরাধীর শাস্তি বাংলাদেশে সাইবার অপরাধ ও ডিজিটাল মাধ্যমে নারীর সম্মানহানিকর কার্যকলাপ সাইবার নিরাপত্তা আইন ২০২৩ এবং পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১২ অনুযায়ী কঠোর জামিন-অযোগ্য অপরাধ। এতে সর্বোচ্চ ৫ থেকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে।

সচরাচর জিজ্ঞাস্য প্রশ্নোত্তর (FAQ)

ব্ল্যাকমেইলার টাকা দাবি করলে কি টাকা দেওয়া উচিত?

কখনোই টাকা দেবেন না। টাকা দিলে ব্ল্যাকমেইলারদের দাবির পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পায় এবং কোনো নিশ্চয়তা থাকে না যে তারা ছবি ডিলিট করবে। অবিলম্বে আইনি পদক্ষেপ ও সাইবার পুলিশে অভিযোগ জানান।

আপনি কি কোনো অপরাধের শিকার বা প্রত্যক্ষদর্শী?

সুরক্ষিতভাবে আপনার তথ্য ও প্রমাণাদি নথিভুক্ত করুন। প্রয়োজনে স্থানীয় অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারেন।